অনুবাদ

পুস্তকের নাম : The Space Between Us লেখকের নাম : Thiriti Umrigar ডান্টিক্যাটের উপন্যাসেও অসম সামাজিক অবস্থান থেকে উঠে আসা দুই নারীর সখ্যের কথা বিস্তৃতভাবে বর্ণিত। আমাবেলের জন্ম হাইতিতে। পৃথিবীর ভেতর আর এ-ধরনের কোনো দ্বীপ আছে কিনা জানি না, কিন্তু ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের (আমেরিকার দক্ষিণ-পূর্বে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের নিচের দিকে) ভেতর যে-দ্বীপটিতে হাইতি অবস্থিত, তার আরেকটা বিরাট …

Continue reading নারীতে-নারীতে সখ্য : প্রাচ্যে-পাশ্চাত্যে (অনুবাদিত , পর্ব ২)

—নাদিন গর্ডিমার….অনুবাদ : সম্পদ বড়ুয়া— সব গোল্লায় যাক! মেয়েদের ব্যাপারে তার ভাগ্য সুপ্রসন্ন না হওয়ায় কিছুদিন সে একা থাকাই শ্রেয় মনে করল। ভালোবাসার জন্যে দু-দুবার বিয়ে করেছিল। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী চলে যাওয়ার সময় তাঁদের যৌথভাবে কেনা প্রিয় জিনিসগুলো যেমন চিত্রকর্ম, দুর্লভ কাচের সামগ্রী এমনকি ভাঁড় থেকে তোলা দামি মদ – সব তুলে নিয়ে গিয়েছিল। যেসব …

Continue reading একটি খুঁজে পাওয়া আংটি

পুস্তকের নাম : The Space Between Us লেখকের নাম : Thiriti Umrigar ——————————- ইদানীং বেশ কয়েকজন অভিবাসী (প্রধানত উত্তর আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যে) নারীর কিংবা তাঁদের কন্যাদের, অথবা যাঁরা স্বদেশে বসেই লেখেন অথচ যাঁদের মাতৃভাষা মূলত ইংরেজি নয় তেমন কিছু নারীর, ইংরেজি ভাষায় লিখিত উপন্যাস জগৎজুড়ে নাম করেছে। এঁদের মধ্যে কয়েকজন : (মূল ভারত) অনিতা দেশাই, …

Continue reading নারীতে-নারীতে সখ্য : প্রাচ্যে-পাশ্চাত্যে, পর্ব -১ (অনুবাদিত )

—মূল : এলিজাবেথ গুন্টার অনুবাদ : পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায়— সরযূ দেয়ালের ধারে পড়ে থাকা ছোট্ট শরীরটা কদিন আগেই লক্ষ করেছিল; কিন্তু বিশেষ আমল দেয়নি। যদিও এ-অবস্থায় তার পক্ষে কেনাকাটা করা ক্রমশ কষ্টকর হয়ে পড়ছিল, তবু সে প্রতিবেশীদের বন্ধুত্বপূর্ণ সাহায্যের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। মা-বাবার মৃত্যুশোক তার মনে এখনো ভীষণ তাজা হয়ে আছে। সে-কারণেই ওঁদের ফ্ল্যাটবাড়িতে থাকা অন্য …

Continue reading দুটি গল্প

—মূল : নাডিন গর্ডিমার— —অনুবাদ : রওশন জামিল— আমরা যখন শুনলাম মুক্তি পেয়েছে সে, খবরটা প্রত্যেককে জানানোর জন্য খামারের আরেক প্রান্তে ছুটে গিয়েছিলাম আমি, বেড়া টপকে পাশের খামারে আমাদের জনগোষ্ঠীর কাছে গিয়েছিলাম। অনেক পরে টের পেয়েছিলাম, কাঁটাতারের বেড়ায় পরনের কাপড় ছিঁড়ে ফেলেছি আমি, এবং কাঁধের এক জায়গায় ছড়ে গিয়ে রক্ত পড়ছে। আট বছর আগে এখান …

Continue reading মার্জনা

ইংল্যান্ড থেকে ফেরার পর জায়গিরদার এই প্রথম আমাদের গ্রামে আসছেন। সবাই তার আগমনের প্রতীক্ষায়। গায়ের তালাতি (হিসাবরক্ষক) সপ্তাহ ধরে দুধের ভাণ্ড ঠিক রাখছে। কে জানে, কখন বাপুজির অভ্যুদয় ঘটবে। চারপেয়ে চৌকি এবং কাঁথা স্তূপ করা হয়েছে। মুখির (গ্রামের মাতবর) ওপর হুকুম জারি হয়েছে এসময় তার গ্রাম ছেড়ে যাওয়া চলবে না। মুচি, নাপিত, ভিস্তি সকলকেই প্রতি …

Continue reading জায়গিরদার ও তার কুকুর পান্নালাল প্যাটেল

—মূল : এবাল্ড মুরার— একটা মৃত্যুকূপের সমান ছোট কোনো জায়গায় শুয়ে থাকা একেবারে অসহনীয় হয়ে ওঠে। যদিও-বা এমন হতো যে, আমি একাই রয়েছি ওখানে, সীমিত পরিসরের ওই বাতাসটুকুর ভেতর, তাহলে আরো বেশি কিছু সময় টিকে থাকার আশা অন্তত রাখা যেত। ওখানে ছিলাম আমরা পাঁচজন এবং দরোজাটা, চৌকো একটা বোর্ডের টুকরোকে যদি এ নামে ডাকতে পারে …

Continue reading মাটির গিলে ফেলা একদল সৈন্য

—ইসমত চুঘতাই অনুবাদ : আন্দালিব রাশদী— যেদিন মির্যার নতুন কাজের মেয়েটি ধীরগতিতে তার বাড়িতে ঢুকল, প্রতিবেশীদের মধ্যে সাড়া পড়ে গেল। যে-সুইপার বরাবর কাজ ফাঁকি দিতে অভ্যস্ত, সে রয়ে গেল এবং গায়ের শক্তি খাটিয়ে ঘষে-ঘষে মেঝেটা পরিষ্কার করল। যে-গোয়ালা দুধে ভেজাল দেওয়ার জন্য কুখ্যাত, সেও নিয়ে এলো মাখন-ভাসা দুধ। কে তার নাম দিয়েছে লাজো – লাজুক …

Continue reading গৃহবধূ

—অনুবাদ : সম্পদ বড়ুয়া— সেদিন বিকেলবেলা সামরিক বাহিনীর একটা ছোট্ট দল সদর রাস্তামুখী মাআ কুইসানের বাড়ির সাদা দেয়ালে একটি নোটিশ টানিয়ে গেল। নোটিশে বলা হয়েছে, পরের দিন সকালে বরাবরের মতো জিয়াও নদীর সেতুমুখে প্রাণ-সংহার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। থেকে শিক্ষা গ্রহণের জন্য সকল স্বাস্থ্য-সমর্থ গ্রামবাসীকে উপস্থিত থাকতে হবে। এ-বছর এ-ধরনের আরো অনুষ্ঠান হয়েছে বলে অনেকে এতে …

Continue reading আরোগ্য লাভের জন্য মো ইয়াং

—শেখর রায়— এক ছিল পরী। নাম ছিল তার ইকো। সে সারাদিন বন-জঙ্গল, পাহাড়-পর্বত, খালবিল আর নদীর পাড় দিয়ে লাফিয়ে আর নেচে বেড়াতো। তার চেহারা এতো চমৎকার ছিল যে সবাই শুধু তার দিকে তাকিয়েই থাকতো। কিন্তু সে এতো বেশি কথা বলতো যে কারো সাথে কথা বলা শুরু করলে আর থামতেই চাইতো না। ঘন্টার পর ঘন্টা সে …

Continue reading ইকো ও নার্গিস ফুলের গল্প