কবিতা

—-Shohag— সাধারণ জনমানুষের অস্বাভাবিক মৃত্যু শরীরী মৃত্যুর অস্বাভাবিক নিয়মানুবর্তিতা; অস্বাভাবিক মৃত্যু যখন স্বাভাবিক খবর তখনও মৃত্যু মানে মরণ মৃত্যু মানে শেষ জীবনের শেষ দৃশ্যের শেষাংশ মৃত্যু যখন কোন অস্বাভাবিক খবরই নয় তখনও মৃত্যু মৃত্যুই তখনও মৃত্যু মানে ঝরে যাওয়া ঝ’রে যাওয়া ধুলি-আলো-হাওয়া। অস্বাভাবিক মৃত্যু যখন প্রায় প্রতিদিনের স্বাভাবিক খবর অতি- তখনও মৃত্যু মানে শূণ্যতা শূণ্যতা …

Continue reading শূণ্যতা

— S Shohag— হে মৃতপ্রায় আমি! তুমি প্রায় মৃতই থাক, তোমার হাত বাঁধা তোমার পা বাঁধা তোমার কণ্ঠনালী বাঁধা তোমার ফুসফুস ফেটে যাচ্ছে তবু তবু তুমি মৃতই থাক কেননা তুমি প্রায় মৃত। সুন্দরবন? সুন্দর একটা বন? কী ওটা? জঙ্গল? বৈশ্বিক পুঁজির ললিপপ? উপমহাদেশী শক্তির লকলকে জিহ্বার লালা? জাতীয় রাজনীতির ব্যক্তিস্বার্থের খুঁটি? হে মূর্খ মৃতপ্রায় আমি …

Continue reading মৃতপ্রায় আমি!

—Salekin Shohag— নীলা হয়ে এসো তুমি যে নীলায় পাহাড়েরও সাধ হয় জাগিবার। নীলা হয়ে এসো তুমি আধার হয়ে নয়। নীলা হয়ে এসো তুমি ভালবাস যদি যে নীলায় সুর্য হাসে যে নীলায় চন্দ্র হাসে।। নীলা হয়ে এসো তুমি আঁধার হয়ে নয়। আঁধারের গহবরে ভরে আছে দুর্বিনীত শোক; আলো প্রায় নেই আঁধারেই তাই প্রয়োজন প্রয়োজন বেশী তোমায় …

Continue reading নীলা হয়ে এসো তুমি

কবি ঃ সোহাগ, ১. নির্জন দুপুরে ঘাসের সুখ বাতাস নিয়েছিল যে সমস্ত ঘ্রাণ ঘাসের সমস্ত শরীর জুড়ে, যে সমস্ত অনুরণন সৃষ্টি হয়েছিল ঘাসের সাথে বাতাসের কম্পনে বাতাসের স্তরে স্তরে তাতে স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হয়, -নির্জন দুপুরে সেই সহবাস হয়নি তাহার যা হয়েছিল তার ঘাসিনীর সাথে নির্জন দুপুর নিশীথে- গভীর প্রশান্তির সংগীত অমৃত প্রলয় করে, অনুরণন …

Continue reading নির্জন দুপুরে ঘাস

কবি ঃ অনিমেষ নরম আলোয় পুড়েছিল নিকষ কাল অন্ধকারে জেগেছিল একটা আলো, চন্দ্রমার প্রতিবিম্ব জ্বেলেছিল একখণ্ড গোল আলোর চাকা, জ্বেলেছিল পুষ্করিনীর জলে, সেই প্রথম পক্ষ চন্দ্রনিশীতে জ্বেলেছিল চাঁদ একখণ্ড আলো পুষ্করিনীর জলে। যদিও সমাজের অন্ধকার গলি দিয়ে নীচে অনেকটাই অন্ধকার গহীনে যেন সহস্র গিরিখাদের নীচে যেতে যেতে আর নামতে নামতে এক দারুন পুষ্করিনী আছে- বহুপ্রবীণ …

Continue reading (Untitled)

কবি ঃ সোহাগ অনধিকারে রাহুগ্রাস// অভ্যস্ত হাতে তার সন্তরণ শরীরের মধ্যে শরীর নীলাভ উষ্মতার শীতলতা অভ্যস্ত হাতে তার প্রক্ষালন শরীরের ভেতরে শরীর আদিম নৃত্যের ঝংকার কুড়ে কুড়ে খেয়ে যায় কখনও কখনও আলো’কে ছিনিয়ে নেয় অন্ধকার যেমন শরীরকে ছিনিয়ে নেয় শরীরের অববাহিকা প্রায়শই অহরহ ঔচিত্য অনৌচিত্যের বাধ পেরিয়ে অধিকার অনধিকারের চর্চা পেরিয়ে আফগানিস্তান সোমালিয়া অথবা বাংলার …

Continue reading অনধিকারে রাহুগ্রাস

—মেহেদী হাসান— আমি যাকে পবিত্র চুম্বনে রোদ্দুর করতে চেয়েছিলাম আঁধার ভালোবেসে সে রাত্রি হয়েছে। সমস্ত ফাল্গুন কেটে গিয়েছে কৃষ্ণচূড়াহীন। আমিও জানতাম চাষাবাদের চর্যাপদ, পৌরাণিক সঙ্গম কথা অথচ, বেদনার মৌলিক অর্থ যার কখনোই জানা হয়নি; এতো নিঃশব্দে কেউ ভালোবাসেনি প্রভু! ত্রিশ লক্ষ বছর ধরে তাকে খুঁজছি… মিরপুর থেকে প্যারিস মক্কা থেকে প্যালেস্টাইন দীর্ঘ থেকে দিগন্তহীন পথে! …

Continue reading ত্রিশ লক্ষ বছর ধরে তাকে খুঁজছি

—বীথি চট্টোপাধ্যায়— শখ করে শুয়েছিলাম এত গভীর ছিল সে কাম… বিদ্যুতে বর্ষণে কয়েকবার; যেন প্রথম সরে গেল অন্ধকার কিছু দূরে পড়েছিল জামাকাপড় সবকিছু বদলে দেয় সেই আদর, চাঁদের আলো, থরোথরো মধ্যরাত চমকালো বিপর্যয় উঠে আসে বুকের ওপর বিদ্যুতে বর্ষণে তারাভরা কত আদর এত সাহস; ভেঙে পড়ে গেল সমাজ বড় বড় দুর্যোগে প্রেমের তো এটাই কাজ …

Continue reading বিভাবরী

—মাহবুব বারী— বীথি, কনের মতোই সেজেছিলে, অন্যের সমস্ত অলঙ্কার পরে, বিকেল গেছে সজ্জায়, সন্ধ্যায় পড়ার টেবিলে কোনো মন নেই, বইয়ের ওপর যখন হাত, তখন আরেকজনের হাতে হাত পড়ে, কেঁপে উঠেছিলে, বাইরে তখন উথাল-পাতাল বাতাস – বাতি নিভে গেছে, অন্ধকারে এমন সময় কার না বুক কাঁপে, শিহরণে এক শীতল উত্তাপ বুকের উপর থেকে নিচের দিকে… কাঁপছিল …

Continue reading বীথি

—পরিতোষ হালদার— আমার জন্মের পরে যারা শাঁখ বাজিয়েছিলেন, তারা কেউ আজ বেঁচে নেই। অথচ রোজ ক্যানভাস থেকে উড়ে যায় সাতঝাঁক পাখি। মায়ের চোখের গভীরে যে চৈত্রমাস ছিল, তার এক প্যারা অনুবাদ আমি। আজো জনেমর বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালে ঘুমের মতো ভেসে ওঠে প্রথম দেখা মায়ের মুখ – কেমন খুশিখুশি জাফরানকন্যা। আমি যখন প্রথম কেঁদেছিলাম – দাদি-দিদারা …

Continue reading সাঁওতালি নদী